![]() |
| ছবি :কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(Artificial Intelligence) |
দুর্গাপুজোর অন্তরালের ঘটনা
তুলি ব্যানার্জি
দুর্গাপূজার অন্তরালে লুকিয়ে আছে শ্রী রামচন্দ্র কর্তৃক অকালবোধন। মহিষাসুর বদের পৌরাণিক কাহিনী এবং বাংলা জমিদার বাড়ি থেকে বারোয়ারি পূজোর ঐতিহাসিক বিবর্তন।
"দুর্গোৎসব" মূলত কালিকা পুরাণে বর্ণিত পদ্ধতি নির্ভর। তবে বলা হয়ে থাকে যে, বাংলায় দুর্গোৎসব মূলত বৃহন্নন্দীকেশর পুরান, কালিকা ও দেবী পুরাণে বিদিত রীতি অনুযায়ী তিনটি ভিন্ন ধারায় সম্পন্ন হয়। অনেক সময় আবার মহাকাল সংহিতা বর্ণিত পদ্ধতির কদাচিৎ অনুসরণ করা হয়। যা তান্ত্রিক দুর্গোৎসব নামে পরিচিত। পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতির জন্য অবশ্য রঘু নন্দনের দুর্গোৎসব তত্ত্বের অনুসরণ করা হয়। তবে ক্ষেত্র বিশেষে বিদ্যাপতির দুর্গা ভক্তি তরঙ্গিনী বা শূল পানি বচিত দুর্গোৎসব বিবেক প্রভুতি স্মৃতি ভাষ্য বা মহাকাল সংহিতা। কালি বিলাস তন্ত্র বর্ণিত পদ্ধতির ও অনুসরণ করা হয়।
দেবী দুর্গার পূজায় দেবী মাহাত্ম্য বা চন্ডী পাঠের পাঠ করা হয় ঋগবেদের বাকসূক্ত বা দেবীসূক্ত নামে খ্যাত। এটি ঋগবেদের দশম মন্ডলের ১২৫ তম সূক্ত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ এ কৃষ্ণকে দুর্গাপূজার প্রবর্তক বলা হয়েছে। শাক্ত ধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মগ্রন্থ দেবী ভাগবত পুরাণ অনুসারে, ব্রহ্মার মানস পুত্র মনু পৃথিবীর শাসক হয়ে ক্ষীরোদসাগরের তীরে দুর্গার মাটির মূর্তি তৈরি করে পূজা করেন।

.png)
.png)
No comments:
Post a Comment