1 / 7
2 / 7
3 / 7
4 / 7
5 / 7
6 / 7
7 / 7

Showing posts with label সংযুক্তা ঘোষ. Show all posts
Showing posts with label সংযুক্তা ঘোষ. Show all posts

Saturday, August 1, 2020

#ইন্টেরেস্টেড_ইন

                                                                                                             ...সংযুক্তা ঘোষ



         হাওড়া যাবো বলে বাসে উঠে দেখলাম বসার জায়গা নেই , বরং দু-এক জন দাঁড়িয়ে আছে । দাদা কোথায় নামবেন  দিদি কোথায় নামবেন  মাসিমা কোথায় নামবেন  কাকু কোথায় নামবেন  ----- এরকম খানিক জিজ্ঞাসাবাদ করার পর লক্ষ্য করলাম এক জায়গায় একটা সিট ফাঁকা আছে , দুটো পাশাপাশি সিটের একটায় একজন মহিলা বসে এবং অন্যটি খালি । সিট খালি তো দু-একজন দাঁড়িয়ে কেন  একটু অদ্ভুত লাগল । সে যাই হোক , হয়তো এরা সামনেই নামবে ; কিন্তু আমার তো দাঁড়ালে চলবে না ---- আমার গন্তব্য ঘন্টা দুইএর । এগিয়ে গেলাম । এগোতেই বুঝলাম ইনি শাড়ি পরে আছেন ঠিকই কিন্তু মহিলা নন , হিজড়া । একটু একটু বুঝলাম বাকিদের দাঁড়িয়ে থাকার কারণ ।

আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম ---- আপনি কি কারোর জায়গা রেখেছেন  উনি বললেন --  না  । আমি বসলাম । দু ঘন্টা সময় কাটানোর জন্যেই ব্যাগে একটা বই এনেছিলাম । সেটাই খুলে পড়ছিলাম । পাশ থেকে আওয়াজ এল --  কি কর তুমি  
আমি তাকিয়ে দেখলাম আমার সহযাত্রীটিই প্রশ্নটি করেছেন । উত্তর দিলাম ---- পড়াশোনা শেষ হয়নি , এখনও কিছু করছি না ।
----- কি পড়ছ 
----- গ্র্যাজুয়েশন হল , এবার এম.এ করব ।
----- বিষয় 
----- বাংলা ।
----- 'সেই সময়' পড়েছ 
----- হ্যাঁ, ভীষণ প্রিয় ।
----- হিমু পড়েছ 
----- হ্যাঁ
----- সাহেব বিবি গোলাম 
----- হ্যাঁ
----- কালপুরুষ , মৌষলকাল 
----- না , পড়া হয়নি... কালবেলা পড়েছি ।
----- পড়বে , ভালো লাগবে ।

এরপর উনি আরও অনেক অনেক অনেক বইএর নাম করলেন ; যেগুলোর কিছু পড়েছি , কিছু পড়িনি , আবার কিছু কিছুর নামও শুনিনি । উনি আরও বলতে লাগলেন -----  বই পড়াটাও একরকম নেশা বুঝলে । নতুন কোনো গল্প , নাটক , উপন্যাসের খোঁজ পেলে যতক্ষন না পড়ব যেন অস্থির অস্থির লাগে ।  তারপর বললেন ---  তুমি কি বিরক্ত হচ্ছো 
----- মোটেই না । বরং বেশ ভালোই লাগছে ।
এরপর উনি আমার নাম ধাম জিজ্ঞেস করলেন এবং নিজের নাম বললেন ' গোপালী উনি আমার সংগে বেশ কিছু বইএর পি.ডি.এফ ফাইলও শেয়ার করলেন  ইতিমধ্যে কনডাক্টার এসে আমার টিকিট কেটে নিয়ে গেল  আবার গোপালী বলতে লাগলেন ---  এই যে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে আমাদের থেকে দয়া করে ভাড়া নেয়না , এটা কিন্তু আমারা মোটেই উপভোগ করিনা  কিন্তু কিছু বলিনা  আমাদের কতটাই বা রোজগার ! বাচ্চাকাচ্চা হলে যা টুকটাক একটু হয়  তাই যেটুকু যা দাক্ষিন্য পাওয়া যায় তাই সই   উনি আবার জিজ্ঞেস করলেন আমি বিরক্ত হচ্ছি কি না  আমি আবারও একই উত্তর দিলাম  সত্যিই আমার ওনাকে ভালো লাগছিল , আরও জানতে আরও শুনতে ইচ্ছা করছিল  উনি বলতে থাকলেন -----  ছোটো থেকে বাবা - মা কে দেখিনি  যেখানে থাকি সেখানকার মাসি খুব ভালোবাসতেন  একপ্রকার বায়না করেই মাধ্যমিক পাশ করেছি  স্টার পেয়েছিলাম  ছেলে সেজে স্কুল যেতাম , তখন নাম ছিলো গোপাল  তারপর লোকে বুঝতে পেরে গেল , নানারকম টীকা-টীপ্পনী আর হজম হচ্ছিল না বলে পড়াশোনা ছেড়ে দিলাম  কিন্তু বইএর নেশাটা রয়ে গেছে   লক্ষ করলাম ওনার কন্ঠস্বর ভারী হয়ে আসছে  বললেন ----  আমরা মানুষ বটে , তবে ঠিক যেন মানুষ নয়  
আমি কি বলব ঠিক করে উঠতে না পেরে তাড়াহুড়ো করে বললাম ---- আপনার সংগে একটা ছবি তুলবো  আপনাকে আমার খুব ভালো লাগলো , বন্ধুদের বলবো আপনার কথা 
উনি একটু হেসে বললেন ----  নিশ্চয়  তোমাকেও আমার বেশ লেগেছে  
এরপর উনি জিজ্ঞেস করলেন--  তুমি নিশ্চয় সোসাল মিডিয়ায় আছো 
----- হ্যাঁ 
----- আমি যদি রিকোয়েস্ট পাঠাই তুমি কি একসেপ্ট করবে 
----- অবশ্যই 
উনি ফোনটা বের করে ফেসবুক খুলে আমাকে একটা রিকু পাঠালেন  আমিও ফোনটা বের করলাম ওনার সামনেই একসেপ্ট করে নেবো বলে  একাউন্ট নেম গোপালী , জেন্ডার ফিমেল  উনি নিজেই বললেন -----  আমাদের তো কিছু সারনেম নেই , আর আমাদের জেন্ডারের কোনো অপশনও নেই  তাছাড়া ফিমেল করে রাখলে রিকোয়েস্ট বেশি আসে  অচেনা অজানা হোক মেয়ে ভেবে কথা তো বলে , গল্প করার সঙ্গী তো পাই   বলে উনি একটু দুষ্টু হাসলেন  ভাগ্যিস বললেন , তাই আমিও একটু হাসার সুযোগ পেলাম  নাহলে এতক্ষন তো আমার কি রকম এক্সপ্রেশন হওয়া উচিত সেটাই বুঝতে পারছিলাম না 

আমার আগেই ওনার স্টপেজ এসে যাওয়ায় উনি নেমে গেলেন  আমারও আর বেশি বাকি নেই পৌঁছতে  বইটা এতক্ষণ কোলেই পড়েছিলো , ওটাকে ঢুকিয়ে রাখলাম  রেখে আবার ফোনে মন দিলাম  নিজের টাইমলাইনেই ঘুরপাক খাচ্ছিলাম বন্ধুদের ট্যাগ রিভিউ এর জন্যে  নিজের টাইমলাইন ………… জেন্ডার ফিমেল , কোনো মিথ্যে নেই  নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে হল  আরেকটু নীচে চোখে পড়ল ' ইন্টেরেস্টেড ইন মেন এন্ড উইমেন কলেজে ওঠার পর যখন প্রথম ফেসবুকে আসি , তখন এক পাকাপোক্ত ফেসবুক ইউজার সহপাঠী বলেছিল ----  শুধু মেন রাখবি না , লোকে ভাববে ছেলেমুখো  উইমেন তো মোটেই রাখবি না , লোকে ভাববে লেসবো  মেন এন্ড উইমেন করে রাখ , সবার প্রতি ইন্টেরেস্টেড বোঝাতে   কিন্তু এতে তো সবার প্রতি ইন্টারেস্ট বোঝায় না  মেন , উইমেন ছাড়াও তো মানুষ হয়  গোপালীরা হয়  যেদিন ওদেরকেও অপশনে রাখা হবে সেদিন নাহয় ওখানে কিছু লিখবো , আপাতত ঘরটা ফাঁকা থাক
  sanjuktag1997@gmail.com

Wednesday, January 1, 2020

প্রিয় পুরুষ


                                                                            ...সংযুক্তা ঘোষ 


         একবার দুপুর নাগাদ বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেলে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম । কিছুক্ষণ পর তাদের অহেতুক ফাজলামিতে আমার অকারণ বড্ড রাগ হয়ে বসল । তখন বাড়ি থেকে সাত/আট কিমি দূরে । রাগটা যে জমাটি হয়েছে , সেটা বোঝাতে আমি সাইকেল ছুটিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম । ভেবেছিলাম ওরাও পিছনে আসবে , কিন্তু কিছুটা পর দেখলাম কেউই আসছেনা । তখন ক্লাস নাইন , বন্ধুদের কাছে ফিরে যাওয়াটা আমার বিজ্ঞ বুদ্ধি অনুচিত বলে ঘোষণা করলো । তো আমি বাড়ির পথেই ফিরতে লাগলাম । গ্রামের রাস্তা এমনিতেই মোটামুটি খালি , দুপুরের রোদে তো পুরোই ফাঁকা । একটু পর থেকেই আমার ভয় ভয় করতে লাগল । যত এগোচ্ছি নির্জন রাস্তা আমায় ততই ভয় দেখাচ্ছে । বন্ধুদের ওপর আর নিজের ওপর রাগে তখন চোখ ভিজে । ভগবানকে মনে মনে ডাকছি ' প্লিজ তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁছে দাও ' । হঠাৎ দেখলাম একটি লোক আমার সামনে সাইকেল নিয়ে চলেছেন । আমি কিছু না ভেবেই তার পিছু নিলাম । মনে মনে ভাবলাম , লোকটি যেন আমার বাড়ির পথেই আর তিন/চার কিমি যান । তারপর আমি একা চলে যেতে পারবো , এদিকটা বড্ড অচেনা । চার কিমি টপকানোর পর ভাবলাম লোকটি যদি আরো দু/এক কিমি যান তো ভালোই হয় । ততক্ষণে আমার ভয়টাও অনেকটা কেটে গেছে । আরো দু কিমি যাওয়ার পর ভাবলাম লোকটির বাড়ি বেশ আমার বাড়ির পরে হয় ! আরো কিছুটা যাওয়ার পর রাস্তা দুভাগ , লোকটি হঠাৎ দাঁড়ালেন । আমি একেবারেই পিছনে ছিলাম বলে আমাকেও দাঁড়াতে হল । লোকটি তখন আমায় জিজ্ঞেস করলেন -- " কোনদিকে যাবে " ?  আমি অবাক হয়ে দাড়িয়ে আছি । তিনি বললেন -- " আর কতটা ? দুপুরবেলা এভাবে একা আসছ তাই জিজ্ঞেস করছি " ।  আমি বললাম আর বেশি না , ডানদিকে এক/দেড় কিমি মতো । লোকটা ' চলো ' বলে আবার সাইকেলে চড়লেন । অমি জিজ্ঞেস করলাম " আপনি কতদূর যাবেন " ?  লোকটি উত্তর দিলেন -- " আমার বাড়ি চার কিমি আগেই পার হয়ে গেছে , তুমি একা আসতে ভয় পাচ্ছ মনে হল তাই এলাম " । বাকি রাস্তাটাও আমি তার পিছনেই এসেছিলাম , নির্ভয়ে । ভীষণ ভালোলেগেছিল আমার সেদিন । লোকটিকে আর কখনো দেখিনি , কিন্তু মনে আছে খুব । কারণ সেদিন বুঝেছিলাম রাস্তাঘাটে অচেনা পুরুষসঙ্গ সবসময় ভয়ের নয় , সাহসেরও ।
         তখন বেশ বড় , কলেজে পড়ি । বাসে ফিরছি । জানলার পাশের সুরক্ষিত সিটটায় সেদিন বসতে পাইনি । আমি মোটাসোটা বলে বরাবরই বাসে ধারের সিটে বসলে কাঁধ থেকে বেশ খানিকটা অংশ বেরিয়ে থাকে । বাসটায় প্রচন্ড ভিড় ছিল । আমার হাত ও কাঁধের ওপর একগাদা ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত ঠেলাঠেলি । খুব , খুব খারাপ লাগছিল । বারবার নিষ্ফল সরতে বলার অনুরোধ করতে করতে হতাশ । আমার পাশেও একজন মহিলাই বসেছিলেন । আমি গুটিয়ে তার দিকে সরে যাওয়ায় তিনিও একরাশ বিরক্তি নিয়ে আমায় ভাগিয়ে দিলেন । প্রচন্ড অস্বস্তিতে আমার তখন কান্না পাচ্ছিল । মনে মনে শুধু ভগবানকে ডাকছিলাম ' প্লিজ ভিড়টা কমাও '   তখন পিছনের সিটে জানলার পাশে বসে থাকা একটি লোক ডেকে বললেন -- " আপনি আমার সিটটায় আসুন , আমি আপনারটায় বসছি " । আমি চোখের জল সামলে বিনা বাক্যব্যয়ে রাজি হয়ে গেলাম । সেই ভিড়ে সিট পাল্টানোও সহজ নয় । তিনিই একপ্রকার টেনে হিচড়ে হাতের আড়াল দিয়ে আমায় নিজের সিট অবধি পৌঁছে দিলেন । সেদিনও আমার ভীষণ ভালোলেগেছিল । তাকেও আমি আর কখনো দেখিনি , কিন্তু বেশ মনে আছে । কারণ সেদিন বুঝেছিলাম ভিড়ে অচেনা পুরুষের স্পর্শ কেবল সংকুচিতই করে না , মুক্তও করে ।
          আবার একবার , ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়ি ফিরছি । ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়ি আসতে সময় লাগত প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টা । ক্লাস শেষ করে হাওড়া আসতেই সেদিন ছটা ছুঁই ছুঁই । হাওড়া থেকে বাড়ি বাসে আরো ঘন্টা তিনেক । নটা মানে গ্রামে বেশ রাত । সন্ধের পর বাস গ্রামের রাস্তায় ঢুকলে মহিলা যাত্রী বেশি থাকেনা । যা হোক... পুনরায় বাস ধরার আগে ভাবলাম কিছু খেয়ে নিই । একটা কেক কিনে টাকা মেটাতে গিয়ে পার্সটা ব্যাগ হাতড়ে কোথাও পেলামনা । কেক তো ফিরিয়ে দিলাম , কিন্তু তখন বাড়ি ফিরব কিকরে সেটা মস্ত চিন্তা হয়ে দাঁড়ালো । সবথেকে কাছে , কলকাতার মেসে থাকা এক বন্ধুকে বললাম আমায় কিছু টাকা দিয়ে যেতে । তবে তারও আসতে ঘন্টাখানেকের ওপর । তার মানে বাড়ি পৌঁছতে দশটার বেশি । আমার অপেক্ষা ছাড়া গতি নেই । ছলছলে চোখে বাসস্টপে দাঁড়িয়ে আমি তখন শুধু ভগবানকে ডাকছি -- ' প্লিজ ভালোয় ভালোয় বাড়ি পৌঁছে দাও '   তখন পাশ থেকে একটা লোক বললেন -- " কতদূর যাবেন " ? আমার গন্তব্য শুনে বললেন -- " কিছু মনে করবেন না , ফোনে আপনার কথাগুলো শুনে ফেলেছি । সন্ধের জ্যামে আপনার বন্ধুর আসতে কিন্তু বেশ সময় লাগবে । এতটা পথ যাবেন , খুব দেরি করা উচিৎ হবেনা আপনার । আমি বাসভাড়াটা দিলে খুব অসুবিধে হবে ? এই বাসটাই ধরে নিন বরং " । আমি হুট করেই রাজি হয়ে গেলাম । চোখ মুছে বাসে উঠে বসলাম । উনি ওনার ব্যাগে থাকা মুড়ির কৌটোটা আমার দিকে এগিয়ে দিলেন । আমি উচিৎ অনুচিৎ ভাবছি দেখে হেসে নেমে একটা কেক কিনে হাতে দিয়ে বললেন -- " এটা নিন , এটা পুরোপুরি সিল করা প্যাকেট " ।  আবারও আমার ভীষণ ভালোলেগেছিল । এনাকেও পরে কখনো দেখিনি , কিন্তু মনে আছে ভালোরকম । কারণ সেদিন বুঝেছিলাম বাসে-ট্রেনে সব অচেনা পুরুষের অযাচিত বাক্যালাপ ও সাহায্যের হাত সন্দেহজনক নয় , বিশ্বাসভাজনও ।
           আমার বাবা , দাদা তো সবসময়েই আমায় রক্ষা করে । তাছাড়া আমি যখনি বিপদে পড়েছি , ভগবানকে ডেকেছি । সেসব পরিস্থিতিতে তাঁর আসা সম্ভব হতনা কখনই । অমি পার পেয়েছি এইরকম অচেনা পুরুষের সাহায্যেই ।
        আমার প্রিয় পুরুষ , তুমি প্লিজ এরকম হয়ো । যে কারোর বাবা , দাদা , আত্মীয় , বন্ধু না হয়েও একা ভীত মেয়ে দেখলে নিঃস্বার্থে নিজের আরাম ছেড়ে দেবে । এর বিপরীত অভিজ্ঞতাও হয়েছে বহুবার । প্রবল ঘৃণায় কোনো অচেনা পুরুষের হাতে খামচে রক্ত বার করে দিয়েছি বা ওড়নার সেফটিপিন খুলে কোনো অচেনা পুরুষের পায়ে সজোরে গেঁথে দিয়েছি । তুমি প্লিজ এরকম অভিজ্ঞতা হয়ে কারোর মনে থেকে যেওনা । তোমায় দেখেও যাতে আমার মতই ভীতু কোনো মেয়ে অচেনা পুরুষদেরও বিশ্বাস করতে শেখে , তুমি প্লিজ সেইরকম হয়ো । তোমায় ভেবেও কারোর ঠোঁটে হাসি আসুক , চোখে ভয় নয় ! তুমিও অচেনা পুরুষরূপে কোনো মেয়ের মনে এভাবেই থেকে যেও , যাতে তোমাকে ভেবে সেও বলে -- " আমার প্রিয় পুরুষ , তুমিও প্লিজ এরকমই হয়ো " ।

sanjuktag1997@gmail.com